কার দায়!
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, শিক্ষকের ইগো নাকি শিক্ষার্থীর শিষ্টাচার: দায় কার? শিক্ষকের মেসেজে ‘হা হা’ (Haha) রিঅ্যাক্ট দেওয়ার অপরাধে প্রায় এক মাস ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুয়ারে ঘুরেও বিবিএ ও এমবিএর ফলাফল হাতে পাননি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুজিবুর রহমান। ফলে হাতছাড়া হয়ে গেছে একের পর এক চাকরির আবেদন। ঘটনার সুরাহা করতে ডিন, উপ-উপাচার্য থেকে শুরু করে রেজিস্ট্রার দপ্তর—প্রতিটি দরজায় কড়া নেড়েও জুটেছে শুধু শূন্যতা। এই ঘটনাটি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আমাদের সামনে দাঁড় করায়: ১. সোশ্যাল মিডিয়া বনাম অফিশিয়াল বাস্তবতা: ফেসবুক বা মেসেঞ্জার একটি ইনফরমাল প্ল্যাটফর্ম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি অতি সাধারণ ও অনানুষ্ঠানিক ইন্টারঅ্যাকশনকে অফিশিয়াল অভিযোগ পর্যন্ত টেনে এনে শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন ও সনদ আটকে দেওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত? অনানুষ্ঠানিক জায়গার কোনো ভুলত্রুটিকে প্রাতিষ্ঠানিক শাস্তির রূপ দেওয়া স্পষ্টতই ক্ষমতার অপব্যবহার। ২. শিক্ষকতা ও আত্মসম্মানবোধের সীমানা: শিক্ষক সমাজের অভিভাবকস্বরূপ। যদি একজন শিক্ষক সামাজিক মাধ্যমে শিক্ষার্থীর সাথে যুক্ত থাকেন, তবে সেখানে পেশাদারিত্বের সীমানা বা শিষ্টাচার বজায়...